সুখের সংসারে অসুখ – Bangla Golpo

সুখের সংসারে অসুখ
সুখের সংসারে অসুখ

সুখের সংসারে অসুখ : বাসরঘরে সেজে গুঁজে বসে আছে রিয়া। অপেক্ষা করছে ফাহিমের জন্য। ফাহিম একটু পরেই ভিতরে আসলো। মুখটা ভাড়। এসেই রিয়াকে বললো,

ফাহিম : আমাকে মাফ করো। আমি তোমাকে স্ত্রীর অধিকার দিতে পারবোনা।

রিয়া : (অবাক হয়ে) মানে কি?

ফাহিম : বালিশ দেও। আমি মনি (ফাহিমের ছোট বোন) র ঘরে ঘুমাবো।

রিয়া : মনির ঘরে ঘুমাবে কেন?? এই ঘরে কি সমস্যা??

ফাহিম : এই ঘরেতো তুমি ঘুমাবে। তাই আমি মনির ঘরে ঘুমাবো।

রিয়া : কেনো?

ফাহিম : বললাম তো আমি তোমাকে স্ত্রীর অধিকার দিতে পারবো না।

রিয়া : ( রেগে গিয়ে) ঐ অধিকার দিতে পারবিনা মানে কি রে??? তুই অধিকার দিবিনা তোর চৌদ্দ গুস্টি দিবো। পাচ বছর প্রেম করার সময় মনে ছিলনা??

এই বলেই ফাহিমকে এলোপাতাড়ি কিল ঘুষি দিতে লাগলো রিয়া। আর রিয়ার চিৎকার চেঁচামেচিতে বাড়ির সবাই চলে এলো রুমের ভিতরে।

সুখের সংসারে অসুখ

সুখের সংসারে অসুখ
সুখের সংসারে অসুখ

কি হয়েছে সবাই জিজ্ঞেস করলেই ফাহিম রিয়ার মুখে হাত দিয়ে চেপে ধরে বলে কিছু না কিছু না। সবাই বুঝলো এটা ওদের ব্যক্তিগত ব্যাপার। তাই সবাই হাসিমুখে চলে গেল যে যার কাজে।

ফাহিম : এতো জোরে কেউ চেচায়?

রিয়া : আমি চেচাই।

ফাহিম : তাই বলে এতো জোরে?

রিয়া : ঐ? অধিকার না দেওয়ার কথা কি আমি বলসিলাম??

ফাহিম : রাগ করে না আমার আগুন পাখি। আমি আসলে ফেসবুকে অনেক গল্পে পরেছিলাম স্বামীরা বাসর রাতে স্ত্রী দের বলে অধিকার দিবে না তারপর বউ অনেক বেশী ভালোবাসে। এই জন্য আমিও ….

রিয়া : কি!! বললা?? আবার বলো??? তোমার সাহস হয় কিভাবে আমাকে এই কথা বলসো তুমি?? হ্যাঁ?? যাও এখন এই মূহুর্তে আমার সামনে থেকে গিয়ে আইসক্রিম নিয়ে আসো।

ফাহিম : (শুরুতে একটু ভয় পেয়ে পরে হাসি দিয়ে) হাহাহা আমি ভাবসিলাম বলবা বেরিয়ে যেতে। এখন দেখি বলতাসো আইসক্রিম আনতে।

রিয়া : হাসবা না। যাও নিয়ে আসো। এটাই তোমার পানিশমেন্ট।

ফাহিম : ও বাবু? রাত ১:৩০ টা বাজে। এখন এতো রাতে কই পাবো আইসক্রিম??

রিয়া : সে আমি কি জানি?? অন্যায় করসো এখন পানিশমেন্ট ভোগ করো।

ফাহিম : উমমমম।

রিয়া : উমমমম আমমম না কইরা যাও না আইসক্রিম নিয়ে আসো।

ফাহিম : (মুখ ভোতা করে) যাচ্ছি।

সারা এলাকা ঘুরে খালি হাতেই ফিরলো ফাহিম। হঠাৎ দেখে মনির হাজব্যান্ড মনির জন্য আইসক্রিম নিয়ে যাচ্ছে।

ফাহিম : নাসিম?

নাসিম : জ্বী ভাইয়া??

ফাহিম : আইসক্রিম কই পাইলা?

নাসিম : অনেক কষ্টে জোগাড় করসি ভাই।

ফাহিম : এমমম। কিছু মনে করোনা আজকে আমাকে এগুলা দিয়া দেও। নাইলে আমার খবর আছে।

নাসিম : (হাসতে হাসতে) ঠিক আছে ভাইয়া আপনি নিন। আমি আবার যাই আনতে।

ফাহিম আইসক্রিম নিয়ে ঘরে ঢুকেই দেখে রিয়া আফরাকে ঘুম পারাচ্ছে। আফরা হলো মনির মেয়ে। আফরা ঘুমিয়ে পরেছে দেখে ফাহিম এসে আফরার কপালে একটা চুমু দিলো। দিয়ে রিয়ার দিকে এমনভাবে তাকালো যেন চুমুটা আফরাকে না রিয়াকে দিয়েছে। রিয়া কিছুটা লজ্জা পেলে ফাহিম বললো,

ফাহিম : বাহ! আমার বউতো দেখি লজ্জা ও পায়। আমি তো জানতাম আমার বউ শুধু আমাকে মারতেই পারে। এতো লজ্জা পায় জানতাম না তো।

রিয়া : ( রেগে গিয়ে) কি বললা তুমি??

ফাহিম : বললাম আইসক্রিম এনেছি গো।

রিয়া : (হাসি দিয়ে) এতো ভালোবাসো আমাকে?? আমিও তোমাকে এত্তো গুলা ভালোবাসি।

ফাহিম : আমিতো সবসময়ই ভালোবাসলাম। তুমিই তো ….

রিয়া : আমিই তো কি? হ্যাঁ??

ফাহিম কিছু বলার আগেই ফাহিমের ফোনটা বেজে উঠলো। একটা অচেনা নাম্বার থেকে এসেছে ফোনটা। ফাহিম রিসিভ করতে চায়নি। কিন্তু রিয়া বলায় ফোনটা রিসিভ করলো ফাহিম।

ফাহিম : আসসালামু আলাইকুম। কে বলছেন?

জয়া : আমি জয়া।

ফাহিম : (চমকে) এতোদিন পরে!! হঠাৎ কি মনে করে?

ফাহিমের মুখে জয়ার নাম শুনেই মন খারাপ হয়ে যায় রিয়ার। ফাহিম কথা বলতে না চাইলেও বলতে বাধ্য হচ্ছে কারণ জয়া ফোন রাখতে বারন করছে আর বারবার বলছে একটা দরকারী কথা আছে। তাই ইচ্ছা না থাকলেও কথা বলতেই হচ্ছে ফাহিম কে। এদিকে রিয়া মুখ ফুলিয়ে বারান্দায় গিয়ে দাড়ালো। নিজের অজান্তেই চোখে দুই ফোটা পানি ও চলে এলো রিয়ার। ফাহিম রিয়াকে বারান্দায় যেতে দেখে নিজেও চলে এলো। অন্ধকারে রিয়ার চোখে পানি না দেখলেও ফাহিম বেশ ভালোই বুঝতে পারলো রিয়া কাঁদছে। তাই ফোনটা কেটে দিয়ে রিয়াকে জড়িয়ে ধরে বললো,

ফাহিম : আমি শুধু তোমার। কথাটা মনে রাখবা। আর কোনোদিন যদি দেখসি আমার বউকে কাদাইছো তাইলে তোমার খবর আছে বলে দিলাম।

রিয়া : আজকেই ওকে ফোন দিতে হলো!! তাও এতো রাতে?

ফাহিম : ধুর বাদ দেও তো এই আপদ গুলার কথা। নির্ঘাত শুনছে আমাদের বিয়ের কথা তাই ফোন দিসে। চলো এখন ঘুমাইবা।

রিয়া : না।

ফাহিম : কেনো!

রিয়া : আইসক্রিম??

ফাহিম : ওরে আল্লাহ!! এখনো আস্ত আছে কিনা দেখতে হবে।

রিয়া : চলো চলো।

তারপর দুইজন মিলে গলা গলা আইসক্রিম খেলো। ঠিক তখনই ফাহিমের মা ঘরে এলো আফরা কে নিতে।

ফাহিমের মা : দেও অকে। আমার সাথেই ঘুমাক আজকে। আর এইযে নেও চকলেট । তোমার বাবা কালকে এনেছিলো।

বলেই সব গুলো চকলেট রিয়াকে দিয়ে দিলো। তখন ফাহিম বললো

ফাহিম : সব গুলা বউমাকেই দিলা? আমার টা কই?

ফাহিমের মা : আমার মেয়ের খাইয়া বেশী হইলে খাইস। রিয়া এই ছেছড়াটাকে একটু দিস তো মা। নাইলে তোর পেট ব্যাথা করবো নে।

ফাহিমের মার কথা শুনেই রিয়া হেসে দিলো। আর ফাহিম মুখটা ভোতা করে রাখলো। ফাহিমের মা চলে যেতেই ফাহিম দরজা লাগিয়ে এসেই খপ করে কয়েকটা চকলেট কেড়ে নিলো রিয়ার কাছ থেকে। রিয়া এই কান্ড দেখে হাসতে হাসতে শুয়ে পরলো।

বিয়ের কয়েকদিন পরে …

রিয়া ও ফাহিম সবে মাত্র সংসার করা শুরু করেছে। কিন্তু এরই মধ্যে এক উটকো ঝামেলা এসে জুটেছে ওদের মধ্যে। ঝামেলা টা আর কেউ না জয়া। ও দিন রাত ফাহিমকে ফোন দেওয়া শুরু করেছে। আর এটা নিয়েই রিয়ার রাগ। রিয়া কিছুতেই মেনে নিতে পারছে না জয়ার এত ঘন ঘন ফোন দেওয়ার ব্যাপারটা। কিন্তু ফাহিম ও তো ইচ্ছা করে জয়ার সাথে কথা বলছেনা। এরই মধ্যে হঠাৎ করে এক বিকালে জয়া ফাহিমদের বাড়িতে এসে হাজির। এসেই সোজা ফাহিমকে জড়িয়ে ধরলো জয়া। ফাহিমদের বাড়িতে কেউ ই ব্যাপারটা ভালোভাবে দেখলো না।

ফাহিমের মা : এই কি হচ্ছে এইসব?? ফাহিম? কে ও??

ফাহিম : মা ও রিয়ার বান্ধবী।

ফাহিমের মা : রিয়ার বান্ধবী তাহলে তোকে জড়িয়ে ধরেছে কেন? কি ব্যাপার রিয়া?? তোমার বান্ধবী আমাদের বাড়ি চিনলো কিভাবে??

রিয়া : ( কাদতেঁ কাদতেঁ) আমি জানি না মামুনি। আমার সাথে তো জয়ার ৫ বছর যাবত কথাই হয়না।

ফাহিমের মা : এই মেয়ে! তুমি এই বাড়িতে কেনো আসছো? আমার ছেলেকে সবার সামনে জড়িয়ে ধরতে লজ্জা করলো না তোমার?? তোমার মা বাবা ই বা কেমন! কোন শিক্ষা দেয়নাই নাকি তোমাকে???

জয়া : আসলে আন্টি আমি একটা বিপদে পরেছি। আমার মনে হচ্ছিল একমাত্র ফাহিম আমাকে এই বিপদ থেকে রক্ষা করতে পারবে। তাই ওকে আবেগে জড়িয়ে ধরেছিলাম।

ফাহিমের মা : আজব মেয়ে তো তুমি!! আমার ছেলের সাথে তোমার কি এমন সম্পর্ক যে আমার ছেলে তার বিয়ের অনুষ্ঠান রেখে তোমাকে বিপদ থেকে উদ্ধার করবে?? আর তোমার আত্মীয় স্বজন রা কই???

জয়া : (থতমত খেয়ে) আসলে আন্টি আমি তাদের কাউকে কিছুই বলিনি।

ফাহিমের মা : বলার থাকলে তো বলবে। তোমার মা বাবার ফোন নাম্বার দাও তো।

জয়া : কেনো আন্টি?

ফাহিমের মা : কথা বলবো।

জয়া : প্লিজ আন্টি তাদের কাউকে কিছু বলবেন না।

ফাহিমের মা : কেন? বললে কি হবে!! তোমার বিপদে তারাই তো তোমাকে বাচাবে। আমাদের কি দরকার তোমাকে বাচানোর!! ফাহিম তুই রিয়াকে নিয়ে ভিতরে যা। আমি কথা বলছি।

ফাহিম : আচ্ছা মা।

ফাহিমের মা : হ্যাঁ যা বলছিলাম আমরা। কি হয়েছে তোমার??

জয়া : আন্টি আমরা বসে কথা বলি?

ফাহিমের মা : তুমি তো বসার মতো মেয়ে নও। যেই মেয়ে একটা পরপুরুষ কে জড়িয়ে ধরে তাকে কি করে আমি বসতে বলি??

জয়া : আসলে আন্টি আমার কিছু টাকার প্রয়োজন।

ফাহিমের মা : কেনো?

জয়া : আমার স্বামী অসুস্থ তাই

ফাহিমের মা : কি হয়েছে তোমার স্বামীর?

জয়া : এক্সিডেন্ট

ফাহিমের মা : তাহলে নিশ্চয়ই হাসপাতালে ভর্তি?

জয়া : জ্বি আন্টি।

ফাহিমের মা : তা আমার ছেলের সাথে হঠাৎ কি মনে করে তুমি যোগাযোগ করলে? তুমি তো রিয়ার বান্ধবী শুনলাম। টাকা চাইলে রিয়ার কাছে চাইতে পারতে। ফাহিমের কাছে কেনো?? আর তোমার কেনোই বা মনে হচ্ছে ফাহিম তোমাকে সাহায্য করবে??

জয়া : (চুপ করে আছে)

ফাহিমের মা : (চেঁচিয়ে) রিয়া আমার বোরকা আর পার্সটা নিয়ে আয় তো।

রিয়া : আনছি মামুনি।

রিয়া বোরকা আর পার্স নিয়ে আসার পরে ফাহিমের মা দেখলো রিয়ার চোখ লাল হয়ে আছে। মানে রিয়া কান্না করছে। ফাহিমের মা এইব্যাপারে আর কথা না বাড়িয়ে রিয়াকে বললো,

ফাহিমের মা : শোন দরজা ভালোমতো লাগিয়ে রাখ। যেন যে কেউ যখন তখন ঢুকে যেতে না পারে। যা দিনকাল পরেছে বাবা।। চলো জয়া। আমরা বের হই।

রিয়া : মামুনি আপনি কোথায় যাচ্ছেন??

ফাহিমের মা : হাসপাতালে। চিন্তা করো না। সাথে ফাহিমের বাবা ও যাচ্ছে।

এই কথা শুনেই জয়া দেখলো পাশের বারান্দায় দাড়িয়ে ফাহিমের বাবা সব শুনছে। জয়া দিক বেদিক না দেখে দরজা খুলেই এক দৌড়ে ঘর থেকে বেড়িয়ে গেলো।

জয়ার এইভাবে চলে যাওয়ায় সবাই বুঝলো এই মেয়ের উদ্দেশ্য ভালোনা। তখন ফাহিমের মা জিজ্ঞেস করলো,

ফাহিমের মা : রিয়া এই মেয়ে কে? ঠিক করে বল আমাকে।

রিয়া : মামুনি একসময় ও আমার আর ফাহিমের বান্ধবী ছিলো। কিন্তু আমার আর ফাহিমের সম্পর্ক শুরু হবার পর থেকেই ও আমাদের মধ্যে ঝগড়া লাগাতে চাইতো। এটা বুঝতে পেরে আমি আর ফাহিম ওর সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দেই। তারপর আর আমাদের সাথে কথা হয়নি কখনও। কিন্তু আমাদের বিয়ের রাতে ও আবারো ফাহিমের ফোনে কল দেয়। অচেনা নাম্বার হওয়ায় ফাহিম রিসিভ করে। তারপর একটু কথা বলেই রেখে দেয়। এরপর যা হয়েছে সব তোমার সামনে।

ফাহিমের বাবা : বুঝলাম সবই। আমাদের উচিত মেয়েটার নামে একটা কেস করে রাখা। বিপদ আপদের কথা তো বলা যায় না।

ফাহিমের মা ও এই কথায় সায় দিলো। তারা পুলিশের দাড়স্ত হলো। পুলিশ জয়ার মোবাইল নাম্বার দিয়ে জয়াকে খুজে বের করে এ্যারেস্ট করলো।

জয়া পুলিশের কাছে সব স্বিকার করলো।

জয়া : আমি কখনোই চাইনি ফাহিমের সাথে রিয়ার সম্পর্ক হোক। তাই আমি শুরু তেই ওদের সম্পর্ক টা ভেংগে দিতে চেয়েছিলাম। কিন্তু ওরা বুঝতে পেরে আমার সাথেই সম্পর্ক শেষ করে দেয়। কিন্তু আমি ওদের সম্পর্কে সবসময়ই খোঁজ খবর রাখতাম। তাই ওদের বিয়ে হয়েছে শুনে আবারও ঝগড়া লাগাতে চাইলাম। আমি সবসময়ই রিয়াকে বলতাম ফাহিম আমাকে ভালবাসে। তাই আমাকে নিয়ে রিয়া সবসময়ই ইনসিকিউর ফিল করতো। আর আমি এটাই কাজে লাগাতাম। কিন্তু ফাহিমের বাড়িতে গিয়ে আমি বুঝতে পেরেছিলাম আমি কতটা ভুল করে ফেলেছি। প্লিজ আপনারা আমাকে ক্ষমা করে দিন। আমার স্বামী এইসব জানলে আমাকে ডিভোর্স করবে।

রিয়া : ভালো করে তাকিয়ে দেখ জয়া তোর স্বামী তোর পিছনে দাড়িয়ে আছে।

জয়া পিছনে তাকিয়ে ওর স্বামী কে দেখে ভয় পেয়ে গেল। ওর স্বামী ওকে কিছু না বলেই চলে গেলো। রিয়া, ফাহিম, ফাহিমের মা বাবা ও চলে গেল তাদের বাড়িতে। জয়া পরে রইলো থানায়। ওকে এক রাত থাকতে হবে ওর অপরাধ এর জন্য। বাড়িতে আসার সময় রিয়া ফাহিমের মার সাথে গিয়ে বসলো। এতে ফাহিমের মার বুঝতে বাকি রইলো না যে জয়া একটু হলেও তার কাজে সফল। মানে রিয়ার সাথে ফাহিমের মনোমালিন্য চলছে।

বাড়িতে গিয়ে ফাহিমের মা রিয়াকে বললো,

ফাহিমের মা : কি রে? কি হয়েছে?

রিয়া : কিছু না তো।

ফাহিমের মা : তাহলে এতো চুপচাপ কেনো? ফাহিমের সাথে সব ঠিকঠাক আছে তো?

রিয়া : (চুপ করে রইলো)

ফাহিমের মা : শোন, বাইরের ব্যাপার গুলো সংসারে টানবী না কখনো। আগে নিজের সংসার তারপর সব। মনে থাকবে?

রিয়া : হুম।

এরপর রিয়া আর ফাহিমের মনোমালিন্য টা দূর হয়ে গেল এবং তারা সবাই সুখেই থাকতে লাগলো।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*


nine − 7 =