পাকিস্তানের ৯০০ শিশুর শরীরে এইডস!

পাকিস্তানের ৯০০ শিশুর শরীরে এইডস
পাকিস্তানের ৯০০ শিশুর শরীরে এইডস

এইচআইভি ভাইরাস ধরা পড়েছে পাকিস্তানের প্রায় ৯০০ শিশুর শরীরে! এতে আতঙ্কিত পাকিস্তানের মানুষ। স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্টরা বলছেন আরো ভয়াবহ তথ্য দিয়েছেন। তাদের মতে প্রকৃত সংখ্যা আরো বেশি হবে, কারন এই পরীক্ষা খুব অল্প সংখ্যক মানুষ করে থাকে।

মহামারি আকার ধারণ করা এই ভাইরাসের ব্যাপারে শিশু বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে, একই সিরিঞ্জ বার বার ব্যবহার করার ফলে ছড়িয়ে পড়ে এই ভাইরাস।

গত এপ্রিলে শিশুরা জ্বরে আক্রান্ত হলে তাদের চিকিৎসা করানো হয় স্থানীয়ভাবে। গুণবাহার শেখ নামের এক সাংবাদিক তার প্রতিবেশিদের উদ্বিগ্ন হওয়া ও পরীক্ষা করানো দেখার পরে তার নজরে আসে বিষয়টি। তারপর এই সাংবাদিক বিষয়টি সবার মাঝে তুলে ধরেন।

পাকিস্তানের ৯০০ শিশুর শরীরে এইডস
পাকিস্তানের ৯০০ শিশুর শরীরে এইডস

তারপর কর্তৃপক্ষ আমলে নেয় বিষয়টি। জানা গেছে, আক্রান্ত অনেক শিশুকে পরীক্ষা করা হয় একই ধরনের চিকিৎসা কেন্দ্রে এবং এর ফলে এটি মহামারি আকার ধারণ করে।

পাকিস্তানের Rato Dero শহরে প্রথম নজরে আসে ঘটনাটি। সেখানে কিছু সংখ্যক বাবা মা চিকিৎসককে জানান যে তাদের ছোট শিশুদের জ্বর কোনো ভাবেই কমছে না। তারপর আরো কিছু শিশু একই রকম সমস্যা নিয়ে আসে।

হতবাক চিকিৎসক শিশুদের রক্ত পরীক্ষার জন্য পাঠালেন রক্তের নমুনা। রক্ত পরীক্ষার ফলাফল আসলো যে এই সব শিশুরা এইচআইভি ভাইরাসে আক্রান্ত। কিন্তু এই সব শিশু কিভাবে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হলো সেটা কেউই বলতে পারেনি।

এপ্রিল মাসের মধ্যে ১৫ শিশু এইচআইভি শনাক্ত করা হয়। কিন্তু এই সব শিশুর বাবা ও মায়ের শরীরে কোনো এইচআইভি ভাইরাস ছিলো না! সেখান থেকেই শুরু এই এইচআইভি ভাইরাসের মহামারি আকার ধারণ।

ডক্টর মুজফফর ঘাংগ্রু নামের এক স্থানীয় একজন শিশু বিশেষজ্ঞকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে সিরিঞ্জের মাধ্যমে এইডস ছড়ানোর অভিযোগে। তবে ডক্টর মুজফফর এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

খবরের উৎস : বিবিসি, বাংলাদেশে প্রতিদিন

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*


5 × two =