না বলেই চলে গেলো সে Bangla True Sad Love Story

না বলেই চলে গেলো সে Bangla True Sad Love Story
না বলেই চলে গেলো সে Bangla True Sad Love Story

না বলেই চলে গেলো সে (Bangla True Sad Love Story): ফেসবুকে অপেক্ষা করছে রাফিন, সে ভাবছে যেই মেয়েটার সাথে তার ৭ বছর প্রেমের সম্পর্ক ছিলো সেই তার জীবন থেকে চলে যাবার আগে হয়তো একবার বিদায় নেবে। তাই ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করে যাচ্ছে রাফিন।

না বলেই চলে গেলো সে Bangla True Sad Love Story

না বলেই চলে গেলো সে Bangla True Sad Love Story
না বলেই চলে গেলো সে Bangla True Sad Love Story

আসলে রাফিনের ইচ্ছে ছিলো তার ভালোবাসার মানুষের সাথে একটু কথা বলার। ৭ টা বছর যে মেয়েটাকে এতো ভালোবেসছে, সেই মেয়েটার সাথে তার বিয়েও ঠিক হয়েছে, কিন্তু রাফিন গরিব বলে আজকে তার ৭ বছরের ভালোবাসার মানুষ তার কাছে বিদায় না নিয়েই তাকে ফেসবুকে ব্লক করে দিয়েছে।

বুঝতে কষ্ট হচ্ছে? বুঝিয়ে বলছি। ৭ বছর আগে রাফিনকে I LOVE YOU বলে ভালোবাসার শুরুটা করেছিলো জোহরা। রাফিন ভেবেছিলো যে মেয়েটা নিজে থেকে তাকে ভালোবাসার প্রস্তাব দিচ্ছে সেই মেয়েটা হয়তো কোনোদিন ওকে ছেড়ে যাবে না, তাই জোহরাকে আপন করে নিয়েছিলো রাফিন।

জোহরা ও রাফিনকে অনেক ভালোবাসতো, হয়তো এখনো ভালোবাসে, হয়তো না। যাই হোক, জোহরা আর রাফিন ছিলো একে অন্যের জন্য। ৭ বছর কম সময় নয়। এই ৭ বছরের তারা কোনো দিন দেখা করেনি।

আসলে রাফিনের ইচ্ছে ছিলো বিয়ের পরে জোহরাকে প্রথম স্পর্শ করবে। তাই ভালোবাসাকে পবিত্র রাখতে তারা একে অপরের সাথে দেখা করেনি ঠিকই, কিন্তু তাদের মধ্যে এতো গভীর ভালোবাসা ছিলো যে তারা দূরে থেকেও ছিলো কাছে।

প্রতিদিন রাফিনের সাথে খাবার খেতো জোহরা। মানে তারা তাদের নিজেদের বাসায় থাকতো, কিন্তু জোরহা না খেলে রাফিন খেতে যেতো না, আবার রাফিন না খেলে জোহরা খেতে যেতো না।

আর ফেসবুকে ও মোবাইলে কথা তো হতোই। কেউ কারো সাথে কথা না বলে থাকতে পারতো না। মান অভিমান হলেও সেটা ১ দিনের বেশি টিকে থাকতে পারতো না। দেখা গেলো সকালে ঝগড়া হয়েছে আর রাতে সব ঠিক হয়ে গেছে।

একসময় রাফিন আর জোহরার পরিবার জানতে পারে তাদের সম্পর্কে কথা। রাফিনের পরিবারের পক্ষ থেকে জোহরার পরিবারের কাছে বিয়ের প্রস্তাব যায়। রাফিন আর জোহরার বিয়ে ঠিক হয়, এনগেজমেন্ট হয়।

কিন্তু এনগেজমেন্টের আংটি পছন্দ হয়নি জোহরার। ও আরো দামী আংটি চেয়েছিলো। সেই সাথে চেয়েছিল ১০ লাখ টাকা বিয়ের কাবিন। যাই হোক, সেই সব ঝামেলা মিটে গিয়েছিলো।

কিন্তু জোহরার বাবা-মা আর ভাই ছিল প্রচন্ড লোভী। তাদের ইচ্ছে ছিলো তারা জোহরাকে বড়লোক ছেলের কাছে বিয়ে দিবে আর মেয়ের জামাই এর টাকায় তার চলবে। আর অন্যদিকে জোহরার মনেও ছিলো অনেক লোভ।

মানুষের লোভ যখন অনেক বেশি হয়ে যায়, তখন ঘটে অঘটন। আর এই অঘটনে কষ্ট পায় ভালো মানুষেরা। বিয়ের ঠিক হবার ২ দিন পরে জোহরার বাবা-মা রাফিনের পরিবারকে ফোন করে বলে যে তারা বিয়েতে রাজি না, তাই তাদের দেয়া আংটি ফেরত দেয়ার জন্য, সেই সাথে রাফিনরা জোহরাকে যেই আংটি দিয়েছে সেটাও তারা ফিরিয়ে দিবে।

রাফিন আর রাফিনের পরিবারের মাথায় যেনো আকাশ ভেঙে পরলো! এরা কি বলছে! বিয়ে ভেঙে দিচ্ছে! তার চেয়ে বেশি অবাক করার কথা ছিলো যে জোহরা নাকি রাজি না এই বিয়েতে, কারন জোহরা মনে করে রাফিনের পরিবার তাকে দামী আংটি দিতে পারেনি, বিয়েতে বেশি কাবিন দিতে পারবে না, তাই জোহরা তার ৭ বছরের ভালোবাসার মানুষের সাথে বিয়ে ঠিক হবার পরেও বিয়ে ভেঙে দিচ্ছে।

যাই হোক, জোহরার বাবা রাফিনদের দেয়া আংটি ফিরিয়ে দিয়েছেন আর রাফিনকে তারা যে আংটি দিয়েছিলেন তা নিয়ে গেছেন। তারপর রাফিন অনেকক্ষণ অপেক্ষা করেছে ফেসবুকে জোহরার কাছ থেকে একটা মেসেজের আশায়।

রাফিন ভাবছে তারা ৭ বছরের ভালোবাসার মানুষ হয়তো তার কাছে শেষ বিদায় নেবে। কিন্তু বাস্তবতা অনেক কঠিন। রাফিন খেয়াল করলো জোরহা তাকে ফেসবুকে ব্লক করেছে। ৭ বছর আগে যেই জোহরা তাকে এই ফেসবুকে I LOVE YOU বলে সম্পর্ক শুরু করেছিলো, আজ সেই জোহরা তাকে ব্লক করে দিয়ে সেই সম্পর্কটাকে শেষ করে দিলো।

রাফিনের কিছুই করার নেই। সে অনেক অসহায়। আসলে রাফিনের কোনো বন্ধু নেই, জোহরা ছাড়া তার কোন বন্ধু ছিলো না। আর রাফিন কখনো কল্পনা করেনি যে ৭ বছরের ভালোবাসার কখনো বিদায় নিতে পারে।

হয়তো কোন একটা কারন ছিলো, যেই জন্য জোহরা রাফিনকে ছেড়ে গেছে। কিন্তু পৃথিবীর কোন কারন কি এতোটাই শক্তিশালী যে ৭ বছরের ভালোবাসার মানুষকে আলাদা করে দিতে পারে?

রাফিন দু হাত তুলে আকাশের দিকে তাকিয়ে আল্লাহর কাছে কি যেনো বলছে আর চোখের পানি ফেলছে। জানি না জোহরা আর তার পরিবারের কি হবে। তবে এটা বুঝতে পারছি যে লোভ ছাড়া এমন কোন কারন থাকতেই পারে না যার জন্য ৭ বছরের ভালোবাসার মানুষের সাথে বিয়ে ঠিক হবার পরে জোহরা ও তার পরিবার বিয়ে ভেঙে দেবে।

আল্লাহ কাউকে সহজে শাস্তি দেন না। তবে জোহরা ও জোহরার পরিবার রাফিনের সাথে যদি বেইমানী করে থাকে তাহলে আমার মনে হচ্ছে এমন ভয়াবহ গজব আল্লাহ ওদের দিবেন যা ওরা স্বপ্নেও কল্পনা করেনি। বিশ্বাসঘাতকদের পরিণতি কখনো ভালো হয় না।

হয়তো জোহরা আর জোহরার পরিবার আজকে বুঝতে পারছে না তারা কি ভুল করেছে, তাদের হয়তো মনে হচ্ছে তারা যা করেছে তা ঠিক করেছে, কিন্তু একদিন আসবে, যেদিন তারা বুঝতে পারবে, কিন্তু সেদিন তাদের করার মতো কিছুই থাকবে না।

আরো গল্প পড়তে এখানে ভিজিট করুন >>> গল্প

Copyright – prothomalo.org

সবাই যা খুঁজছে: bangla true sad love story, heart touching sad love story in bangla, sad love story golpo, fb sad love story in bengali, most romantic love story in bengali, koster love story, valobashar dukher golpo, valobashar koster golpo, jiboner koster golpo, mitha valobasar golpo, abegi hridoyer golpo,

বিশেষ নোটিশ

আমাদের নতুন ওয়েবসাইট aWhatsappStatus.org একবার হলেও ভিজিট করুন।

1 Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*


nine − 6 =