134+ Romantic Premer Golpo | রাতে বয়ফ্রেন্ডের রুমের ভেতরে ঢুকে পরলাম

Romantic Premer Golpo: রাত প্রায় ১টা বাজে, অনেক্ষন যাবৎ রবিন কে ফোন দিচ্ছে রিকিতা, কিন্তু রবিন ফোন তুলছে না, হয়তো ঘুমিয়ে পরেছে। তাই রেগে গিয়ে রবিনের ঘুমের ১২ টা বাজানোর জন্য নিজের রুম থেকে বেরিয়ে চলে গেলো রবিনের রুমে।

(একটু অবাক হলে নাকি? এতো রাতে একটা মেয়ে একটা ছেলের রুমে চলে গেলো! আসলে রিকিতা অ্যামেরিকাতে বড় হয়েছে, তাই এদেশের মেয়েদের মতো সহজ, সরল, লাজুক না। আর ওর রাগ অনেক বেশি, এতো বেশি যে ওর নিজের বাবা মা ও ওকে ভয় পায়, আর সত্যি বলতে রবিন এর বাবা মা ও রিকিতাকে অনেক ভয় পায়।

Romantic Premer Golpo

রিকিতা হচ্ছে রবিনের মামাতো বোন, আগে রবিন ও অ্যামেরিকাতে থাকতো, কিন্তু ১ বছর হলো ওর ডাক্তারি লেখাপড়া শেষ হয়েছে তাই বাবা মা কে নিয়ে দেশে চলে এসেছে এদেশের মানুষে সেবা করার জন্য। আর অন্যদিকে ১ মাস হলো রিকিতাও তা বাবা মাকে নিয়ে দেশে চলে এসেছে, কারন সে রবিন কে ছাড়া থাকতে পারে না।

ছোটবেলা থেকেই ওদের বিয়ে ঠিক হয়ে আছে। বুঝতেই পারছেন আসল ঘটনা। তবে বিদেশের পরিবেশের কথা তো জানেন সবাই, সেখানে প্রেম করা, গার্লফ্রেন্ড-বয়ফ্রেন্ড একসাথে এক বিছানায় রাত কাটানো, পান্তা ভাত। তবে রবিন আগেই রিকিতাকে বলে রেখেছিলো যে তার লেখাপড়া শেষ হবার আগে তারা একে অপরকে স্পর্শ করবে না।

কিন্তু লেখাপড়া শেষ করেই হুট করে দেশে চলে আসে রবিন, আসলে সে একটা বড় হসপিটালে যোগ দেয়ার সুযোগ পেয়েছে। তাই তাড়াহুড়ো করে দেশে চলে এসেছিলো। তাই কয়েক মাস রাগ করে ছিলো রিকিতা, রাগ শেষ হবার পরে দেশে চলে এসেছে আর আগামীকাল ওদের বিয়ে।

কিন্তু রিকিতার তর সইছে না, মনেহয় বিয়ের আগের বাসর রাত উদযাপন করতে চায় সে। তবে এখানে এসেও এতোদিন রাগ করে ছিলো রবিনের সাথে। রবিন ইচ্ছে করেই ওর রাগ ভাঙ্গায় নি, কারন ও জানে যে যখন ওর রাগ ভেঙ্গে যাবে তখন ই ও চাইবে ওর সাথে এক বিছানায় ঘুমাতে। কিন্তু এদেশের মানুষ ও ওদের আত্মীয় স্বজনেরা এটাকে খুব ভালো ভাবে নেবে না। তাই রবিন সব কিছু প্ল্যান করেই করেছে।

ওকে না জানিয়ে দেশে চলে এসেছিলো এই জন্যই, কারন ও চেয়েছিলো বিয়ের আগে যেনো কোন ভাবেই রিকিতা ওর সাথে রাত কাটানোর সুযোগ না পায়। কারন এতোদিন লেখাপড়া শেষ হবার কথা বলে ওকে থামিয়ে রেখেছিলো, এখন লেখাপড়া শেষ, ওকে থামানোর মতো কোন বাহানা আর বাকি নেই।

সব কিছুই তো বুঝতে পারলেন। কেনো রিকিতা রেগে আছে রবিন এর উপর আর রবিন কেনো ওর মোবাইল ধরছে না। তবে একটা কথা আগেই বলে রাখা ভালো, রিকিতা আর রবিন এক সাথে রাত না কাটালেও, একে অপরকে জড়িয়ে ধরা, চুমু দেয়া, এইসব ওদের মধ্যে প্রতিদিনই চলতো যখন ওরা কলেজে ও ভার্সিটিতে পড়তো।)

রাতে বয়ফ্রেন্ডের রুমের ভেতরে ঢুকে পরলাম

হঠাৎ রবিনের ঘুম ভেঙ্গে গেলো, চোখ মেলে সে দেখতে পেলো রিকিতা ওর বিছানায় ওর পাশে শুয়ে ওর মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছে।

রবিন: আরে একি! তুমি এখানে কিভাবে এলে! এতো রাতে তুমি আমার রুমে কি করছো! কালকে আমাদের বিয়ে! কেউ দেখে ফেললে কি হবে ভেবেছো!

রিকিতা: সমস্যা কি! আমার হবু বরের ঘরে গভীর রাতে আমি থাকবো না তো কি অন্য মেয়ে থাকবে!

রবিন: তুমি বুঝতে পারছো না, এটা অ্যামেরিকা নয়, এখানে বিয়ের আগে এইসব চলে না।

রিকিতা: এই যে মিষ্টার! বেশি কথা বলবেন না, আমি শুধুমাত্র তোমার মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়েছি, আর মাত্র ৬ টা চুমু দিয়েছি তোমার গালে, এর বেশি কিছুই করিনি।

রবিন: ৬ টা চুমু দিয়েও ফেলেছো! তোমার লিপস্টিকের দাগ তো তাহলে আমার গালে অবশ্যই লেগেছে।

রবিন আয়না দিয়ে নিজের চেহারা দেখতে যাচ্ছে, কিন্তু রিকিতা ওকে টান দিয়ে বিছানায় শুইয়ে দেয়।

রিকিতা: আমি তোমার রুমে আসার আগে আমার লিপস্টিক মুছেই এসেছি, এখন চুপচাপ আমার পাশে শুয়ে থাকো।

রবিন: ওহ! তাহলে আমার রুমে আসার আগেই প্ল্যান করে রেখেছিলে আমার গাল দুটো তোমার ঠোঁটের দখলে নেয়ার!

রিকিতা: তুমি অনেক খারাপ। কতো দিন হলো তোমাকে চুমু দেই না, আগে আমাকে কতো আদর করতে, আমি রাগ করলে সাথে সাথেই রাগ ভাঙ্গাতে, আর এখন তো আমাকে তোমার ভালোই লাগে না।

রবিন: কোন এভাবে বলছো আমার প্রিয়তমা? আমি চেয়েছিলাম বিয়ের আগে আমার মধ্যে একটু দুরুত্ব থাকুক, এতে ভালোবাসা বাড়ে।

রিকিতা: ভালোবাসা অনেক বেড়ে গেছে, (দুই হাত দিয়ে দেখিয়ে বললো) এতো গুলো ভালোবাসা জমে গেছে, এখন আর পারছি না। প্লিজ আজাকে রাতটা আমাকে তোমার পাশে ঘুমাতে দাও, ভোর হলেও আমি চলে যাবো, কেউ টের পাবে না।

রবিন: (রিকিতার কান্না কান্না ভাব দেখে রবিনের অনেক মায়া লাগলো, ও রিকিতাকে জড়িয়ে ধরে বললো) ঠিক আছে, থাকো আজকের রাতটা আমার সাথে।

রিকিতা: ইয়াহু! চলো তাহলে আমরা জীববিজ্ঞান নিয়ে গবেষণা করি।

রবিন: হ্যা! বুঝলাম না কিছুই! জীববিজ্ঞান নিয়ে গবেষণা করবে মানে!

রিকিতা: আমি তো জীব, তাই না?

রবিন: হ্যা!

রিকিতা: আর তুমি তো ডাক্তার, ডাক্তাররা তো জীববিজ্ঞান, মানে জীব নিয়ে অনেক গবেষণা করে, তাই না?

রবিন: হ্যা, করে তো!

রিকিতা: তাহলে বলো দেখি, আমার বুকে বলের মতো ২টা জিনিস আছে, সেই দুইটা জিনিসেকে কি নামে ডাক হয় বাংলা ভাষায়?

রবিন: হইছে! আমি বুঝতে পারছি তোমার জীবনবিজ্ঞান কাহিনী। আমার থেকে ১০ হাত দূরে থাকো তুমি।

রবিন রিকিতাকে দূরে সরাতে চাইলো, কিন্তু রিকিতা রবিনকে আরো জোরে জড়িয়ে ধরে বললো,

রিকিতা: আজকে আর তোমাকে ছাড়ছি না। অনেক দিন পরে তোমাকে হাতে পেয়েছি, আজকে তোমার থেকে জোর করে ভালোবাসা আদায় করে নেবো।

এই বলে রিকিতা রবিনের উপরে উঠের ঠোঁটের সাথে নিজের ঠোঁট লাগিয়ে চুমু দিতে শুরু করে। রবিন অনেক বার ওকে সরিয়ে দেয়ার চেষ্টা করে তারপর নিজেই ওর কাছে ধরা দেয়। আসলে রবিন ও নিজেকে আর ধরে রাখতে পারছিলো না। অনেক্ষন চুমু দেয়ার পরে রিকিতা ওকে বলে,

রিকিতা: আরো কিছু চাও?

রবিন মাথা নেড়ে হ্যা বলে।

রিকিতা: তাহলে শার্ট খুলে ফেলো।

রবিন রকিতার কথা মতো শার্ট খুলতে শুরু করে, তারপর শার্ট খুলে বিছানায় রেখে ওকে জড়িয়ে ধরে যখনই চুমু দিবে, তখনই রিকিতা ওকে থামিয়ে দিয়ে বলে,

রিকিতা: দাঁড়াও! দাঁড়াও! বিয়ের আগে এইসব করা ঠিক না। যা করার বিয়ের পরে কইরো, এখন ঘুমাও, আমিও যাই আমার রুমে, অনেক ঘুম পাচ্ছে।

রবিন: এটা কি হলো! এখন না বললে হবে না, আমার এখন আদর চাই!

রিকিতা: এখন বুঝো! আদর ছাড়া থাকতে কেমন লাগে। আমাকে তো ১ বছর কষ্ট দিয়েছো, আর আমি তোমাকে মাত্র ১ রাত কষ্ট দেবো, তোমাকে এটা বোঝানোর জন্য যে আমার কেমন লেগেছিলো। মাত্র একটা রাত, হি হি হি।

এই বলে রিকিতে চলে গেলো, আর এদিকে রবিন বোকার মতো গালে হাত দিয়ে বিছানায় বসে রইলো। রিকিতা যে ওর উপর প্রতিশোধ নিতে এসেছিলো সেটা ও বুঝতেই পারেনি, তবে একটা কথা বলতে হবে, ও জানে কিভাবে রবিনকে হাতের ইশারায় নাচাতে হয়।

কয়েক মিনিট পরে রিকিতা আবার রবিনের রুমে এলো,

রবিন: তুমি আবার এসছো! এখন আর কি প্রতিশোদ নেবে?

রিকিতা: তোমাকে কষ্ট দিতে আমার ভালো লাগে না, তাই তোমাকে আদর করতে এলাম।

এই বলে রিকিতা রবিনকে জড়িয়ে ধরে ভালোবাসা আদান প্রাদান করতে শুরু করলো। সারারাত ওরা জীববিজ্ঞান নিয়ে গবেষণা করেছে। এর বেশি আর কিছুই বলা সম্ভব না, বাকিটা নিজেই বুঝে নিন।

এই Romantic Premer Golpo টি সম্পূর্ণ কাল্পনিক, আমরা প্রতিদিন এই prothomalo.org ওয়েবসাইটে নতুন গল্প আপলোড করি।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*


eleven − 8 =