217+ Romantic Premer Golpo | আমার দ্বিতীয় বিয়ের বাসর রাতে বউয়ের সাথে

Romantic Premer Golpo: ফারাহ বালিশে হেলান দিয়ে বিছানায় বসে আছে, এমন সময় ওর স্বামী রিফাত রুমের ভেতরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে ওর পাশে এসে বসলো। আজকের ওদের বাসর রাত, তবে রিফাতের দ্বিতীয় বাসার রাত, কারন এর আগেও ওর একটি বিয়ে হয়েছিলো, কিন্তু বিয়ের ৫ মাস না হতেই ওর বউ তার আগের বয়ফ্রেন্ডের সাথে পালিয়ে গেছে।

আর ফারাহর এট ৩ নাম্বার বাসর রাত, যদিও এটাই তার প্রথম বিয়ে, কিন্তু সে এতোটাই ভালো মেয়ে যে বিয়ের আগেই ২ জন বয়ফ্রেন্ড ছিলো তার, আর ২ জনের সাথেই সে রাত কাটিয়েছিলো।

Romantic Premer Golpo

তবে এবার অনেক জোর করে ফারাহর বাবা-মা ওকে বিয়ে দিয়েছে, আর যেহেতু তাদের মেয়ের অনেক সুনাম আছে, তাই কোন ভালো পরিবার তাদের মেয়েকে নিজেদের বাড়ির বউ করে নিতে চায় না। যেহেতু রিফাতের এর আগেও একটি বিয়ে হয়েছিলো, আর ঘটক ফারাহর নামে অনেক ভালো ভালো কথা বলেছিলো, তাই সব মিলিয়ে দুই পরিবার ওদের বিয়েতে রাজি হয়েছে।

ফারাহ: দরজা বন্ধ করছেন, ভালো করছেন, এখন আমার জামা কাপড় খুলে দেন, তারপর যা করার তাড়াতাড়ি করে আমারে আজকের মতো মুক্তি দেন।

রিফাত: বুঝলাম না!

ফারাহ: এমন ভাব নিচ্ছেন যেনো আপনি ৫ বছরের বাচ্চা, আর এটা আপনার প্রথম বিয়ে। এর আগে ও তো একটা বিয়ে করছেন, বউয়ের সাথে বাসর রাতে কি কি করে সেটা কি আবার নতুন করে শিখিয়ে দিতে হবে? আমারে ভোগ করার জন্যই তো বিয়ে করছেন, তো সেটাই করেন, তাড়াতাড়ি কাজ শেষ করেন, আমার অনেক ঘুম পাচ্ছে।

রিফাত: আপনি শুয়ে পরুন, আমি লাইট বন্ধ করে দিচ্ছি।

এই বলে রিফাত রুমের লাইট বন্ধ করে রুমের জানালার সামনে দাঁড়িয়ে রইলো। আর ফারাহ বালিশ জড়িয়ে ঘুমিয়ে পরলো।

পরের দিন সকালে ঘুম থেকে উঠে ফারাহ দেখলো সকাল ১১ টা বাজে, আর রুমের মধ্যে রিফাত নেই। সে রাতে বিয়ের পোশাক পরেই ঘুমিয়েছিলো। তাই সকালে অন্য ফ্রেস হয়ে অন্য পোশাক পরে রুমের বাইরে বের হলো। তখন ও দেখলে ওর শাশুড়ি রান্না ঘরে দুপুরের রান্না করছে, ও রান্না ঘরে গেলো,

শাশুড়ি: উঠে গেছো মা? টেবিলে তোমার জন্য নাস্তা রাখা আছে, যাও মা, গিয়ে নাস্তা করে ফেলো, অনেক বেলা হয়ে গেছে।

ফাহার: (ও ভেবেছিলো এতো দেরি করে ঘুম থেকে ওঠাতে ওর শাশুড়ি ওকে অনেক কথা শোনাবে, যেমনটা ওর আম্মু করে, কিন্তু ওর শাশুড়ির নরম ব্যবহারে ওর মন গলে যায়) আমি অনেক দেরি করে ফেলেছি ঘুম থেকে উঠতে, আসলে গতকাল অনেক ক্লান্ত ছিলাম তো, তাই। কাল থেকে তাড়াতাড়ি উঠবো।

শাশুড়ি: ঠিক আছে মা, এখন আগে তুমি নাস্তা করে ফেলো, তারপর তোমার সাথে গল্প করবো।

ফারাহ: না, আম্মু, এখন আপনাকে রান্নার কাজে সাহায্য করি, এখন আর আমার নাস্তা করতে ইচ্ছে করছে না।

শাশুড়ি: এটা বললে তো হবে না, নাস্তা তো তোমাকে করতেই হবে।

তারপর ফারাহর শাশুড়ি নিজের হাতে তাকে নাস্তা খাইয়ে দেয় আর ফারাহ ও তার শাশুড়িকে রান্নার কাজে সাহায্য করে।

এ যেনো এক অন্য ফারাহ, আসলে ফারাহকে তার বাসায় কেউই পছন্দ করতো না, তার বাবা-মা প্রতিদিন তাকে বকাঝকা করতো, তাই সে কখনো ভালো মেয়ে হবার চেষ্টাই করেনি, কিন্তু শাশুড়ি একটু ভালো ব্যবহার ওকে যেনো ১ সেকেন্ডের মধ্যে পালটে দিয়েছে।

রান্নার কাজ শেষ হলে ফারাহ ওর শাশুড়ির সাথে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে গল্প করতে থাকে। শাশুড়ির কাছে ফারাহ জানতে পারে তার স্বামী রিফাতের আগের স্ত্রী রিফাতকে ধোকা দেয়ার পর থেকেই ও পালটে গেছে, আগের মতো আর হাসে না, আনন্দ করে না। ওর স্ত্রী ওকে ছেড়ে চলে গেছে, এতে তো ওর কোন দোষ নেই, কিন্তু সবাই ওকে নিয়ে হাসি ঠাট্টা করতো সব সময়। তাই প্রতিরাতে ও একা একা কাঁদে।

এইসব কথা শুনে ফারাহর মনে পরে যে গতরাতেও রিফাত কান্না করেছিলো, ঘুমের মধ্যে টের পেয়েছিলো ও। ফারাহর শাশুড়ি আরো বলে যে ফারাহর অতীত সম্পর্কে সব কিছু তিনি জানেন। এই কথা শুনে ফারাহ অনেক লজ্জা পায়।

ফারাহর শাশুড়ি ওকে উৎসাহ দিয়ে বলেন, “তোমার আগের ২ জন বয়ফ্রেন্ড তোমাকে ধোকা দিয়ে চলে গেছে, তাই তুমি বুঝতে পারো যে ভালোবাসার মানুষ কষ্ট দিলে কেমন লাগে। আমার ছেলেটার কষ্ট তুমি বুঝবে, তাই তোমাকে ওর বউ করে এনেছি এই বাড়িতে। তোমার দুজনেই ভালোবাসার মানুষের কাছ থেকে কষ্ট পেয়ে ভালোবাসতেই ভুলে গেছো। আমি চাই তোমার দুজন দুজনকে ভালোবেসে আবার নতুন করে জীবনটা সাজবে।”

শাশুড়ির কথাগুলো শুনে ফারাহর কাঁদতে শুরু করে, ও শাশুড়িকে কথা দেয় যে ও আবার নতুন করে সব কিছু শুরু করবে পুরানো সব কিছু ভুলে গিয়ে। এমন সময় রিফাত ওর বাবার সাথে দুপুরের খাবার খেতে বাড়িতে আসে। তারপর ৪ জন একসাথে খাবার খেয়ে বিশ্রাম করার জন্য নিজেদের রুমে চলে যায়।

আমার দ্বিতীয় বিয়ের বাসর রাতে বউয়ের সাথে

রিফাত বিছানায় শুয়ে আছে, এমন সময় ফারাহ ওকে বলে,

ফারাহ: আমার পিঠে কি যেনো লেগেছে, আমি দেখতে পাচ্ছি না, আমাকে একটু সাহায্য করবেন?

রিফাত: (বিছানা থেকে উঠে ফারাহর সামনে এসে ওর পিঠে কয়েক সেকেন্ড খোঁজাখুঁজি করার পরে বললো) আমি তো আপনার পিঠে কিছুই দেখতে পাচ্ছি না। কি লেগেছে আপনার পিঠে?

ফারাহ: আপনি তো বড় আজব মানুষ! আমার পিঠে লেগেছে কিছু একটা, আমার জামাতে লাগেনি, আপনি জামার উপরে খুঁজলে পাবেন কিভাবে! আমার জামাটা উপরে তুলুন, তারপর দেখুন আমার পিঠে কি লেগেছে।

রিফাত: (ও এটা করতে চাইছে না, কিন্তু ফারাহ জোর করাতে ও ফারাহর জামা তুলে পিঠে কি লেগেছে সেটা খুঁজতে শুরু করে, কিন্তু কিছুই না পেয়ে বলে) কিছুই তো দেখতে পাচ্ছি না এখনো! ঠিক করেন বলুন তো আপনার পিঠে কি লাগেছে!

ফারাহ: আপনি আমার পিঠে কি দেখতে পাচ্ছেন?

রিফাত: কিছুই না।

ফারাহ: আপনার চোখ ঠিক আছে তো?

রিফাত: একদম ঠিক আছে।

ফারাহ: চোখ ঠিক থাকলে পিঠে আমার ব্রা এর হুক গুলো দেখতে পাচ্ছেন না!

রিফাত: (আস্তে আস্তে উত্তর দেয়) সেটা তো দেখতে পাচ্ছি, কিন্তু কিছু তো লাগে নি আপনার পিঠে।

ফারাহ: কে বলেছে লাগে নি! ব্রা এর হুক গুলো তো লেগে আছে, খুলে দিন।

রিফাত দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ভাবছে যে আসলে ফারাহ কি করতে চাইছে!

ফারাহ: কি ব্যাপার! খুলছেন না কেনো!

রিফাত ফারাহর ব্রা টা খুলে দিলো পেছন থেকে, আর ফারাহ নিজেই ওর জামা টা খুলে ফেললো। তারপর ফারাহ যখন রিফাতের দিকে ঘুরে দাড়ালো, তখন ওর বুক থেকে ব্রা টা ও পরে গেলো। এখন ফারাহর মাথা থেকে পেট পর্যন্ত কোন জামা কাপড় নেই। এমন অবস্থায় ও রিফাতকে জিজ্ঞেস করলো,

ফারাহ: বউ পছন্দ হয়েছে?

রিফাত: মানে!

ফাহার: আমাকে দেখতে কেমন লাগছে? পছন্দ হয়েছে আমাকে?

রিফাত: আপনার মতো সুন্দরী মেয়েকে কোন ছেলে পছন্দ না করবে?

ফাহার: (কাঁদতে কাঁদতে বললো) এই শরীরটা তোমার আগেও আরো ২ জন পুরুষ স্পর্শ করেছিলো, আমি জানি আমার এই শরীরটার মধ্যে শুধুমাত্র আমার স্বামীর অধিকার ছিলো। আমি ভুল করেছিলাম। আমাকে মাফ করে দাও। এর আগে যে দুই জন পুরুষ এই শরীরটা স্পর্শ করেছিলো তারা শুধুমাত্র এই শরীরটাকে ভোগ করেছিলো, বিনিময়ে আমাকে এক বিন্দু ভালোবাসাও দেয় নি। আমাকে একটু ভালোবাসা দেবে? সারাজীবন তুমি যা বলবে আমি তা ই করবো, কিন্তু আমাকে কখনো ছেড়ে যেও না।

রিফাত ও কাঁদতে শুরু করে, ও ফারাহকে জড়িয়ে ধরে। এভাবে অনেক্ষন চলে ওদের দুঃখ ভাগভাগির পর্ব। তারপর রিফাত ফারাহর জামা দিয়ে ওর শরীরটা ঢেকে দিয়ে বলে।

রিফাত: জামাটা পরে নাও।

ফারহ: না, আগে আমার পাওনা মিটিয়ে দাও, তারপর জামা পরবো।

রিফাত: মানে!

ফারাহ: মানে আবার কি! গতকাল বাসর রাতের পাওনা বাকি আছে, সেটা মিটিয়ে দাও।

রিফাত: এই দিনে দুপুরে!

ফারাহ: বউয়ের সাথে ভালোবাসা আদান প্রদান করবে, এতে আবার দিনে দুপুরের কি আছে!

এই বলে ফারাহ রিফাতকে জড়িয়ে ধরে বিছানায় নিয়ে যায়। তারপর গতরাতের সব পাওনা বুঝে নেয় নিজের স্বামীর থেকে।

বিয়ের ১ বছরের মধ্যে ওদের একটি ছেলে সন্তানের জন্ম হয়। ওরা এখন অনেক সুখি।

এই Romantic Premer Golpo টি কাল্পনিক, প্রতিদিন আমরা এই prothomalo.org ওয়েবসাইটে নতুন গল্প আপলোড করি।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*


18 − 11 =